ঐতিহ্যের চেতনায় উজ্জীবিত

Breaking News বিশেষ_ঘোষণা...

সারিয়াকান্দি সংবাদ এর পক্ষ থেকে সবাইকে ধন্যবাদ

Monday, 26 October 2026

শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের বাহিরে অবস্থান করতে দেখা প্রধান শিক্ষিকা ও দুই সহকারী শিক্ষিকাকে শোকজ

শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের বাহিরে অবস্থান করতে দেখা প্রধান শিক্ষিকা ও দুই সহকারী শিক্ষিকাকে শোকজ

নিউজ ডেস্ক ঃ 
বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান  চলাকালীন সময়ে ছয় শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের বাহিরে অবস্থান করতে দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের বাহিরে অবস্থান করার কারন জানতে চেয়ে প্রধান শিক্ষিকা ও দুই সহকারী শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব চেয়ে তাদের এ নোটিশ দেওয়া হয়।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সারিয়াকান্দি  উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ. মো.  মাহতাবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।শোকজ প্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন ওই বিদ্যালয়ের  ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোছা. নাছরিন মমতাজ, সহকারী শিক্ষিকা মোছা. সেলিনা আকতার ও লাভলী ইয়াসমিন।

বিদ্যালয় ও শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাযায়, বেলা ১২ টায় বগুড়া জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো.তৌফিকুর রহমান, ফুলবাড়ী ভূমি অফিস পরিদর্শনে যায়। এই সময় ফুলবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছয় (০৬) জন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের বাহিরে অবস্হান করতে দেখতে পান। বিদ্যালয়ে পাঠদান চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থী বাহিরে অবস্থানের কারন প্রধান শিক্ষিকার কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। এবিষয়ে সেই সময় যে শিক্ষিকাদের ক্লাশ চলছিলো তারা সদুওর দিতে পারেনি।

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা 
মোছা.নাছরিন মমতাজ বলেন, আমার দায়িত্ব আমি অটল ছিলাম। আমার যে ক্লাশ ছিলো আমি সেই ক্লাশে ছিলাম। আমরাতো বিদ্যালয়ের বাহিরে যায়নি ক্লাশেই ছিলাম। তারপর আমাদের শোকজ করেছে।

সহকারী শিক্ষিকা মোছা.সেলিনা আকতার ও লাভলী ইয়াসমিন বলেন, এক ক্লাশ থেকে আরেক ক্লাশের বিরতি ছিলো মাএ ২ মিনিট। এই সময়ের মধ্যে কিছু শিক্ষার্থী বাহিরে চলে যায়। মাঝে ডিসি সাহেবের সাথে দেখা হয়। এর পরেই শোকজের চিঠি পায়।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ. মো. মাহতাবুর রহমান বলেন, সরকারি বিধিমালা ভঙ্গ করে, বিদ্যালয়ে পাঠদানকালীন সময়ে ৬ শিক্ষার্থী কেন বাহিরে ছিলো জানতে চেয়ে তিন শিক্ষিকা -কে শোকজ করা হয়েছে। ওই তিন শিক্ষিকাকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad

Your Ad Spot

Pages