নিউজ ডেস্ক ঃ সারিয়াকান্দির চরাঞ্চল মানুষের উন্নয়নে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম বলেছেন,আমাদের কোন কাজ বাঁকি রাখবোনা। যাতায়াতের সুবিধার্থে চালুয়াবাড়ী, কাজলা, কর্ণিবাড়ী এবং বোহাইল ইউনিয়নের মধ্যে একটি দুই লেন বিশিষ্ট সড়ক নির্মাণ করা হবে। চরের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে সেখানে একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই জাতীয় সংসদে কথা বলেছি। যা আগামি ডিসেম্বরের মধ্যেই বাস্তবায়ন হবে। নৌবন্দর ঘোষনা করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই সরকার গেজেট প্রকাশ করেছে। অতি শীঘ্র নৌবন্দরের কাজ শুরু হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে নদী শাসন কাজ সবসময় চলমান থাকবে। চরের মানুষের চিকিৎসার জন্য সেখানে একটি ২০ বেডের হাসপাতাল , কৃষকদের জন্য হিমাগার স্থাপন করা হবে।যমুনা এবং বাঙালি নদী ভাঙনের হাত থেকে চরবাসীকে রক্ষা করতে ভাঙন রোধে স্থায়ী টেকসই কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে উচ্চ বিদ্যালয় এবং চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কলেজ স্থাপন করা হবে। শনিবার দিনব্যাপী কাজলা ইউনিয়নের চর ঘাগুয়া, কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের ডাকাতমারা , মূলবাড়ী এবং বোহাইল ইউনিয়নের মাঝিড়া এলাকায় যমুনা নদীর ভাঙন এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম, বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুব হোসেন, সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ ফ ম আসাদুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহজাত হোসেন পল্টন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মুহিদুল ইসলাম মুন্সি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারাজুল ইসলাম ফনি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম নিশান, কাজলা ইউপির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
No comments:
Post a Comment